ইন্তেকালের ৬ মাস পরে রওজা (কবর) শরীফের মধ্যে বসা অবস্থায় দর্শন দান

হযরত সুরেশ্বরী ক্বিবলা কা’বা ছিলেন সমকালীন সময়ের জগদ্বিখ্যাত অলিয়ে মোকাম্মেল হাদিয়ে জামান এবং মোজাদ্দেদ জামান। তাঁহার মাতৃগর্ভে আগমন হইতে শুরু করিয়া বেছাল হক এবং বেছাল হক হইতে আজ পর্যন্ত অসংখ্য কারামতি প্রতিনিয়ত ঘটিতেছে এবং পথ হারা পথিকেরা সত্য পথের সন্ধান পাইয়া আল্লাহ্ এবং রাসূল (সাঃ) এর ইশ্কে আত্মোৎসর্গ। আল্লাহ্ অলিগনের মৃত্যু নাই তথা তাদের পবিত্র দেহ মোবারক ও মাটি গ্রহণ করিতে পারে না। তাহার অসংখ্য প্রমাণ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঘটিয়াছে। হযরত সুরেশ্বরী ক্বিবলার ওফাতের ৬ মাস পরে মূল রওজা শরীফ (কবর) পাকা করিবার নিমিত্তে খনন কার্য শুরু হয়। খনন কার্যের সময় অগনিত লোক মাজার শরীফেন পার্শ্বে দন্ডায়মান ছিল। হযরত সুরেশ্বরী ক্বিবলা কা’বার প্রাণাধীক কন্যা মা আরেফা খানুনও মাজার শরীফের পার্শ্বে দন্ডায়মান ছিলেন। খনন কার্যের এক পর্যায়ে অসতর্ক ভাবেই হউক আর দয়াল বাবার ইচ্ছাতেই হউক কফিন বাক্সের উপরের অংশটি কোদালের টানে সরিয়া গিয়া কফিন উন্মক্ত হইয়া পড়ে। সকলেঅবাক হইয়া দেখিলেন যে হযরত সুরেশ্বরী বাবা হাটু ভাঙ্গিয়া দিব্যি বসিয়া মা আরেফার দিকে তাকাইয়া আছেন এবং মা ইরেফাও তাহার বাবাজান ক্বিবলার দিকে তাকাইয়া রহিয়াছেন। পিতাকে সন্মুখে দেখিয়া মা আরেফা চিৎকার দিয়া বাবা বাবা বলিতে বলিতে কবরে নামিতে উদ্ধত হইলে হযরত সুরেশ্বরী ক্বিবলা কা’বার জৈষ্ঠ্য জামাতা মাওলানা ইসমাইল হোসেন সাহেব মা আরেফা খাতুনকে দ্রুত ঐ স্থান হইতে কোলে করিয়া সরাইয়া লইয়া যান এবং তৎক্ষনাৎ কফিনের ঢাকনা বন্ধ করিয়া খনন কার্য যথা শীঘ্র সমাপ্ত করেন। কিশোরী বয়সের বালিকার আকুতি, “ কেন তার প্রিয় আব্বাজানকে ঐ ছোট বাক্সে একলা বন্দি করিয়া রাখা হইয়াছে” ইহার জবাব তাহাকে কেহই দিতে পারে নাই।

শেয়ার করুনঃ

  • Today's visitors:0
  • Today's page views 0
  • Total visitors 1,417
  • Total page views 1,969